প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
শারীরিক নানা সীমাবদ্ধতা ও কষ্টের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে বেঁচে থাকা মারিয়া খাতুনের মুখে অবশেষে ফুটল স্বস্তির হাসি। ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানমের মানবিক সহায়তায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন মারিয়া ও তার পরিবার। বুধবার (২৯ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে মারিয়া তার অসহায়ত্ব ও জীবনের টানাপোড়েনের কথা প্রকাশ করেন। ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে তার কথা শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে মারিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস দেন তিনি। সহায়তা প্রদানকালে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন: "সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো কেবল একটি প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের মানবিক দায়বদ্ধতা। মারিয়ার মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ যেন নিজেদের একাকী না ভাবেন, সেজন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। মানুষের মুখে একটুখানি হাসি ফোটাতে পারাই আমাদের কাজের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।" হঠাৎ এই সহযোগিতা ও জেলা প্রশাসকের মমতাময় ব্যবহারে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মারিয়া ও তার স্বজনেরা। মারিয়ার মা মিমি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,"মেয়ের কষ্টের কথা জানাতে অনেক দরজাতেই ধাক্কা দিয়েছি, কিন্তু আজ জেলা প্রশাসক ম্যাডাম যেভাবে আমাদের কথা শুনে নিজের হাতে সাহায্য করলেন, তা সারা জীবন মনে থাকবে। উনার এই ভালোবাসা আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জুগিয়েছে।" প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হয়েও একজন অসহায় প্রতিবন্ধী নারীর প্রতি জেলা প্রশাসকের এমন সহমর্মিতা ও ভালোবাসার ঘটনাটি উপস্থিত সবার দৃষ্টি কেড়েছে এবং বেশ প্রশংসিত হয়েছে। সুশীল সমাজের মতে, জনপ্রশাসনের এ ধরনের মানবিক পদক্ষেপ সরকারের সেবামূলক ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে।
